
কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের মা আমেনা বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী মোঃ শাহাদাত হোসেন মনির।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকায় নিজ বাসভবনে ১০৩ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন আমেনা বেগম। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মৃত্যুকালে তিনি চার ছেলে, পাঁচ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।
আমেনা বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে মোঃ শাহাদাত হোসেন মনির বলেন, “একজন মায়ের মৃত্যু সবসময়ই পরিবার ও স্বজনদের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমেনা বেগম ছিলেন একজন স্নেহশীল, মমতাময়ী ও আদর্শ মা। দীর্ঘ জীবনে তিনি তাঁর সন্তান-সন্ততি ও পরিবারের সদস্যদের ভালোবাসা, স্নেহ ও মমতায় আগলে রেখেছেন। তাঁর চলে যাওয়া পরিবারটির জন্য নিঃসন্দেহে এক অপূরণীয় ক্ষতি।”
তিনি আরও বলেন, “মায়ের শূন্যতা কোনো কিছু দিয়েই পূরণ হওয়ার নয়। মরহুমার স্নেহ, মমতা, ভালোবাসা ও পারিবারিক মূল্যবোধের স্মৃতি তাঁর সন্তান-সন্ততি, আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহীদের মাঝে দীর্ঘদিন অমলিন হয়ে থাকবে। এই শোকের সময়ে আমি মরহুমার পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাই।”
মোঃ শাহাদাত হোসেন মনির মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বলেন, মহান আল্লাহ যেন তাঁর জীবনের সকল ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে দেন এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করেন।
একই সঙ্গে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই গভীর শোক ও বেদনা সহ্য করার শক্তি দানের জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। তিনি বলেন, “মহান আল্লাহ যেন মরহুমার সন্তান-সন্ততি ও স্বজনদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করেন এবং তাঁর নেক আমলগুলো কবুল করে পরকালের শান্তি ও কল্যাণ দান করেন।”
আমেনা বেগমের দীর্ঘ ১০৩ বছরের জীবনের অবসানে তাঁর সন্তান-সন্ততি, আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহীদের মাঝে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। তাঁর স্নেহ, মমতা ও ভালোবাসার স্মৃতি পরিবারের সদস্যদের হৃদয়ে চিরদিন বেঁচে থাকবে—এমনটাই উল্লেখ করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোঃ শাহাদাত হোসেন মনির।