• বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ন
Headline
এমপি হাজী জসিম উদ্দিনকে নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ: ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বিএনপি নেতা এ.কে.এম সাইফুল ইসলাম টিপুর হস্তক্ষেপে পেইজ অপসারিত দ্বিতীয়বারের মতো ময়নামতি উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন এডভোকেট মো. দিদারুল আলম। এমপি জসিম উদ্দিনকে নিয়ে অপপ্রচার, তীব্র নিন্দা জানালেন বিএনপি নেতা এ কে এম সাইফুল ইসলাম টিপু ফেক আইডি থেকে এমপি জসিম উদ্দিনকে নিয়ে ভুয়া সংবাদ প্রচার, তীব্র প্রতিবাদ জানান নেতাকর্মীরা ধানমন্ডিতে প্রথম জানাজা সম্পন্ন, কাল ভোলায় দাফন তোফায়েল আহমেদের শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে আমির হামজার পরিবারের ওপর হামলা শিশু রামিসার অসুস্থ বাবাকে দেখতে হাসপাতালে বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক কুমিল্লা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরে হঠাৎ এমপি, নেই কর্মকর্তারা সততা, দায়িত্ববোধ ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে: কৃষিমন্ত্রী কুমিল্লায় ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু

আলোচনায় কুমিল্লা লালমাই পাহাড়ের তেলের খনি

Reporter Name / ৩৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬

কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে অনেক বছর আগে গুঞ্জন প্রচলিত- এখানে তেল-গ্যাসের সন্ধান মিলেছিল, বিদেশি কোম্পানি এসে খননও করেছিল; কিন্তু একটি অদৃশ্য হেলিকপ্টার এসে কূপ সিলগালা করে দেয়। সম্প্রতি সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি তুমুল আলোচনা ও সমস্ত এলাকা জুড়ে শুরু হয়েছে কৌতুহল। কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার বড় ধর্মপুর এলাকার লালমাই পাহাড়ের ঘটনা এটি।আমাদের দেশে এখনও কোন প্রকার বড় আকারের খনিজ তেলের মজুত আবিষ্কৃত হয়নি। দেশের প্রধান জ্বালানি নির্ভরতা রয়েছে প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর। সিলেটের হরিপুর ও মৌলভীবাজারের বরমচাল ছাড়া উল্লেখযোগ্য তেল উৎপাদনের ইতিহাসও সীমিত। যার কারনে, দেশের অধিকাংশ জ্বালানি তেল এখনও বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৭-১৮ সালের দিকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স) লালমাই এলাকায় অনুসন্ধান কার্যক্রম চালায়। সেখানে ‘লালমাই-১’ ও ‘লালমাই-২’ নামে দুটি কূপ খনন করা হয়। অনুসন্ধানের শুরুতে কিছু পরিমাণ তেলের অস্তিত্ব পাওয়া গেলেও পরীক্ষামূলক উত্তোলনে উৎপাদন খুবই কম ছিল। লালমাই-১ কূপ থেকে দৈনিক মাত্র ২০ থেকে ২৫ ব্যারেল তেল উত্তোলন সম্ভব হচ্ছিল। লালমাই-২ কূপে চাপ কম থাকায় সেটিও বাণিজ্যিক উৎপাদনের উপযোগী হয়নি।
তেলকূপকে বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক করে তুলতে প্রতিদিন অন্তত কয়েকশ ব্যারেল তেল উত্তোলন করতে হবে। সেই তুলনায় লালমাইয়ের উৎপাদন ছিল খুবই সীমিত। এ ছাড়া তেলের সঙ্গে অতিরিক্ত পানি উঠে আসা, চাপ কমে যাওয়া এবং উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় প্রকল্পটি চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। পরে নিরাপত্তা ও পরিবেশগত ঝুঁকি এড়াতে নিয়ম অনুযায়ী কূপগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ বা ‘প্লাগ অ্যান্ড অ্যাবানডন’ করা হয়।
মোঃ রফিকুল ইসলাম নামক স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, এখানে তেল-গ্যাস পাওয়া গিয়েছিল। আমরা নিজের চোখে দেখেছি। ২০০২ সালে বিদেশি কোম্পানি খনন করতে আসে। পরে তারা চলে যায়। হাজার-হাজার মিটার খনন করা হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ এক সময় হেলিকপ্টার এসে এটি সিলগালা করে দেয়।
বড় ধর্মপুর এলাকার বাসিন্দা মো. শহীদ বলেন, এ জায়গাটা আমাদের বাড়ির পাশে। ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি এটা সিসা ঢালাই দিয়ে বন্ধ করে রাখা হয়েছে। কিন্তু কেন বন্ধ করা হলো, কে করল আজও জানি না। সরকার চাইলে আবার অনুসন্ধান করতে পারে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিত্যক্ত তেল বা গ্যাসকূপ খোলা অবস্থায় রেখে দিলে গ্যাস লিক, অগ্নিকাণ্ড কিংবা ভূগর্ভস্থ পানি দূষণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুসরণ করে অলাভজনক কূপগুলো সিলগালা করা হয়।পেট্রোবংলার উপব্যবস্থাপক সৈকত মাহমুদ বলেন, লালমাই এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক তেলের মজুত পাওয়া যায়নি। অনুসন্ধান চালানো হলেও তা অলাভজনক হওয়াতে কূপগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা