কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার জোড্ডা পূর্ব ইউনিয়ন দক্ষিণ শ্রীহাস্য ছিদ্দিক আলী মোয়াল্লেম শাহ হাফেজিয়া নূরানী মাদ্রাসার শিক্ষক সাব্বির আহমদ (৩২), বিরুদ্ধে বাক প্রতিবন্ধী (২৫) এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত শুক্রবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে। অভিযুক্ত ওই মাদ্রাসার নূরানী বিভাগের শিক্ষক সে হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার জনতরী গ্রামের মোহাম্মদ তাজু উদ্দিনের ছেলে।
মামলা ও স্হানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই মাদ্রাসায় মাসিক বেতনে ছাত্র-ছাত্রীদের রান্নার কাজ করেন বধির ওই নারী। আর এ কাজের সুবাদে সাব্বির আহম্মেদ এর সাথে প্রতিনিয়ত দেখা হয়। ধর্ষিতা নারী বাক ও শ্রবন প্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও সাব্বির আহম্মেদ ওই নারীকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে কয়েকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের ফলে ওই নারীর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে বিষয়টি জানাজানি হলে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষকে স্হানীয়রা আটক করে। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ কল দিলে নাংগলকোট থানা পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে। ধর্ষিতা নারী আশংকাজনক অবস্থায় দেখে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।এঘটনায় ধর্ষিতা নারীর ভাই জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে নাঙ্গলকোট থানায় একটি ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। মামলায় একজন নামীয় সহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামী করে।
ওই মাদ্রাসা প্রধান মূফতী ইসমাইল হাবিবীকে বারবার ফোন করলেও কোন বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
নাঙ্গলকোট থানা অফিসার ইনচার্জ আরিফুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলাটি তদন্তাধিন আছে। মেডিকেল রিপোর্ট পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ২/১ দিনের মধ্যে আসামির রিমান্ডের আবেদন করা হবে।